যে পাঁচ পরিবর্তনের ফলে, নিজের হার্ট ভাল রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনবেন

0
523

নিজেকে সুস্থ রাখতে ,নিজের হার্ট ভালো রাখতে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন অতীব জরুরি। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের ফলে আপনি সুস্থ ও সাবলীল ভাবে জীবন চালাতে পারবেন। প্রতি বছর অনেক মানুষের শুধু হৃদরোগের জন্য মৃত্যু হয়। সঠিক ভাবে না চলার কারণে, নিয়ম অনুযায়ী খাবার না খাওয়ার কারণে। 

এসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব খাবার তালিকায় শুধু মাত্র প্রয়োজনীয় খাবার যোগ করে। আর যেসব খাবার ক্ষতিকর তা পরিহার করে। 

ধীরে ধীরে যদি খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন করা হয় তাহলে আপনি খুব ভালোভাবে সুস্থ শরীর নিয়ে জীবন যাপন করতে পারবেন। হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যাবে আর আপনার হার্ট ভালো থাকবে। 

পাঁচ কৌশল :

১. নিজের শরীর ভালো রাখার দায়িত্ব নিজের।নিজেকেই নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে। এর জন্য সবসময় খেয়াল রাখতে খাবারের পরিবর্তন নিয়ে। কোন ধরণের খাবার খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। হার্ট ভালো থাকে।হার্ট ভালো রাখতে হলে আঁশ যুক্ত খাবার খাওয়া খুবই প্রয়োজনীয়। তাছাড়া হার্ট ভালো রাখার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মতামত চলা খুব জরুরী। 

মূলত যেসব খাবারে আঁশ রয়েছে সেসব খাবার খেতে হবে। বিভিন্ন ধরণের শাক সবজি ও ফলমূলে আঁশ  রয়েছে। এসব বাদেও অন্যান্য খাবারও খোসাসহ খাওয়া যেতে পারে।তবে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অতীব জরুরী। 

 

২. এমন কিছু কিছু খাবার যা খেলে আপনার শরীর অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে ফ্যাট জাতীয় খাবার থেকে কিভাবে দূরে থাকা যাই। ফ্যাট ও চর্বি জাতীয় খাবার শরীরকে নষ্ট করে দেয়। তেল জাতীয় খাবার খাওয়া উত্তম তবে নিয়ম মেনে। কোক ও তেল জাতীয় ভাজা-পোড়া থেকে দূরে থাকুন।এগুলোতে প্রচুর ফ্যাট ও চর্বি আছে। 

৩. বেশি পরিমানে লবন খাওয়া স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়। বেশি পরিমানে লবন খাওয়ার ফলে নানা ধরণের রোগের সৃষ্টি হতে পারে। তার মধ্যে হৃদরোগ অন্যতম। এর জন্য কম পরিমানে লবন খাওয়া ভালো। 

৪. এমন ধরণের খাবার খাওয়া উচিত যা শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সক্ষম। যেসব খাবারে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও খনিজ লবন রয়েছে সেসব খাবার , শাকসবজি , ফলমূল খাওয়া উত্তম। এ ধরণের খাবার খাওয়ার ফলে হৃদরোগের সমস্যা হতে মুক্তি পাওয়া যাই। 

৫. ফ্যাট ও চর্বি যুক্ত খাবার আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। বেশি পরিমানে সবুজ শাকসবজি,আঁশ যুক্ত খাবার খেলে ও ফ্যাট ও চর্বি যুক্ত খাবার হতে দূরে থাকলে আপনার শরীর ভালো থাকবে। এমনকি আপনার মোটা হওয়ার ঝুঁকিও কমে যাবে। 

অন্যান্য যেসব নিয়ম মেনে চললে আপনি ভালো থাকবেন :

এক ) প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে, দুই ) সঠিক মতে ঘুমাতে হবে ঘুমানোর জন্য অতিরিক্ত রাত জাগা যাবে না বরং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে, তিন ) প্রতিদিন সকালে ব্যায়ামের অভ্যাস তৈরী করুন। নিয়ম করে দৈনিক হাঁটুন, চার ) সব ধরণের টেনশন হতে মুক্ত থাকুন। বাড়তি চাপ হতে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন, পাঁচ ) বিভিন্ন ধরণের পানি জাতীয় খাবার যা মানুষের বিবেগ বুদ্ধি লোপ করে। এমন খাবার খাওয়া যাবে না। এসব ছেড়ে দিন।