প্রসঙ্গ এক কোটি টাকা, এত টাকা আসে কোথা থেকে

প্রসঙ্গ এক কোটি টাকা।কাদের টাকা। এ টাকা এলো কোথা থেকে। তাহলে কি এভাবেই চলছে দেশটা। জনগণের টাকা তাহলে এভাবেই খরচ হচ্ছে।

সম্প্রতি ছাত্রলীগের পদ হারানো সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের ফাঁস হওয়া ফোনালাপে আলোচিত এক কোটি টাকা শাখা ছাত্রলীগকে ঈদ সালামি হিসেবে দিয়েছেন উপাচার্য ফারজানা ইসলাম।

ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন কথা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। জানা যাই ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়া নিয়ে একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। যেখানে এক কোটি টাকা বিষয় নিয়ে লেনদেনেই কথাবার্তা হয়। ফোনালাপে উঠে আছে এক কোটি টাকা তাদের ঈদ সালামী হিসেবে দেওয়া হয়েছে। 

তবে অনেকে মনে করেন ঈদ সালামী হিসেবে যে এক কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এ টাকা ভিসি কথা থেকে পেলো।আর কেনই বা ছাত্রলীগকে দিতে হলো। এর আগে এ বেপার নিয়ে ছাত্রলীগের একজন পড়া ক্যাম্পাস জুড়ে অন্যান্য কর্মীদের নিয়ে শো ডাউন দিয়ে বেড়ান।

সবাই বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, তারা সবাই এক সাথে। কিন্তু এ ব্যাপার নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে ক্যাম্পাসের সব কিছু ঠিক আছে কিনা তারা দেখছে।

সামনে ভর্তি পরীক্ষা রয়েছে ,যাতে সব কিছু ঠিক ভাবে হয় সেদিকে খেয়াল রেখেই ভার্সিটি প্রদক্ষিণ করলাম।যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে কর্মীদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

ছাত্রলীগ নেতা বলেন আমাদের সাথে এক কোটি টাকা দেওয়ার কথা হয় পরে তা পৌঁছিয়ে দেওয়া হয়। ঈদ সালামী বাবদ ভিসি আমাদের এ এক কোটি টাকা দেন।

তবে ভিসি কি করে কোথা থেকে এতো টাকা আমাদের দেন তা আমরা বলতে পারি না। আমাদের টাকা দেওয়ার পর আমরা তা আমাদের যে কর্মী রয়েছে তাদের মাঝে ভাগ করে দেয়। 

তবে এর আগে কথা উঠে গোলাম রব্বানী ভিসির কাছে টাকা দাবি করে যাতে ক্যাম্পাসের উন্নয়ন বাবদ যে কাজ রয়েছে তা যাতে সুন্দর ভাবে হয় সেজন্য কেউ কোনো ঝামেলা করবে না। আর ঠিক তার পরেই প্রথম বারের মতো ফাঁস হয় এক কোটি টাকার কাহিনী। 

প্রশ্ন তৈরী হয় সবার ভিতর,ভিসি এ টাকা কিভাবে দিলেন কোন টাকা থেকে দিলেন। তাহলে কি এভাবেই সব টাকা শেষ হয়ে যাই। বেরিয়ে আসে ভিসির ছেলেও এইসব দুর্নীতির সাথে জড়িত।ফোনালাপে নাকি তার কথা উঠে এসেছে।

টাকা ইনকামের জন্য নানা অপকর্ম,টেন্ডার বাজি,সিডিউল নিয়ে ঝামেলা ইত্যাদি কাজের সাথে নাকি ভিসির ছেলে জড়িত।তবে এ ব্যাপার নিয়ে ভিসি সব মিথ্যাচার দাবি করে আসছে।

তিনি বলছেন এমন কিছুই নাকি তিনি করেননি। বরং এইসব বিষয়ে সবাইকে দূরেথাকার জন্য মন্তব্য দিয়েছেন ভিসি।জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিবৃতিতে ভিসি শক্ত অবস্থান নিয়ে জানিয়ে দেন এই ধরণের কোনো অপকর্মের সঙ্গে ভিসি জড়িত নয়।