চেয়ারম্যান এর ছেলের ব্যবহার, ফিকে মারলো নাগরিক সনদপত্র

0
607

গোপালগঞ্জ জেলার পাইককান্দী ইউনিয়নের সুলতানশাহী গ্রামের মাহফুজুর রহমান তুরান নামে একজন ব্যক্তি তার বন্ধুদের সঙ্গ দিতে বন্ধুর প্রয়োজনে গিয়েছিলো সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে। উদ্দেশ্য ছিল নাগরিক সনদপত্র ও জন্ম নিবন্ধন আনবেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, নাগরিক সনদপত্র আনতে পারলেও ভোগান্তির পাশাপাশি চেয়ারম্যানের ছেলের ব্যবহারে হতে হয়েছে হতাশ। ভুক্তভুগী সকলে, দুই তালা থেকে চেয়ারম্যানের ছেলের সনদপত্র মাটিতে ফিকে দেওয়াটা ভালোভাবে নিতে পারেনি। তাছাড়া তাদের বাইরে দাঁড়িয়ে রেখেছেন। এমনকি একটু মুখের কথা বলা যেতে পারতো, আপনারা ভিতরে এসে বসেন। চেয়ারম্যান বাড়ি এসে এই আশাটুকু করতেই পারে জনগণ।

আমরা সকলেই জানি , সরকারি বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে আমাদের নাগরিক সনদপত্র, চারিত্রিক সনদপত্র ও জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হয়। আর এই প্রয়োজন মেটাতে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের দ্বারস্থ হতে হয়। কিন্তু কোনো কারণে যদি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সাধারণ মানুষ নিরাশ হন তাহলে বলতেই হবে – এটা দেখার বা শোনার কেউ ই কি নেই?

এমনই  ভুক্তভুগীদের সাথে থাকা একজন ফেসবুকে (১ নভেম্বর ২০২০) পোস্ট করে নিজের ক্ষোপ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

তিনি ফেসবুকে লিখেছেন :
আজকে গেলাম আমার এক বন্ধুর সাথে সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে। সেখানে গিয়ে কাউকে না পেয়ে চেয়ারম্যান এর বাড়িতে গেলাম।কিন্তু সেখানেও চেয়ারম্যান সাহেবকে পেলাম না।

হয়তো জনসেবার কাজে কোথাও গেছে। তখন বাড়িতে বললাম আমাদের সার্টিফিকেট লাগবে একটু ব্যবস্থা করা যাবে কিনা। ১০ মিনিট অপেক্ষার পর চেয়ারম্যান এর ছেলে বাইরে এসে বলছে বাড়িতে তো নেই কোন সার্টিফিকেট। কোথাও গেলে সাধারণ ভদ্রতার খাতিরে মানুষকে বসতে বলা হয়। কিন্তু তিনি আমাদের বললো একটু দাঁড়ান।

নাগরিক সনদপত্র

আমরা দাঁড়িয়ে আছি। ৫ মিনিট পর তিনি আমাদর দুই তলার ছাদ থেকে একটা কাগজ ৫/৬ টা ভাজ করে ফিকে মেরে বললো একটা আছে নেন।এমন যদি হয় একজন চেয়ারম্যান এর ছেলের ব্যবহার। তাহলে কিভাবে মানুষ তাদের কাছে ভাল কিছু আশা করবে।

জন্মনিবন্ধনের বিষয়ে কথা বলার জন্য ডাক দিলাম তিনি পিছনেও ফিরলেন না। আমরা সুকতাইল বাজারে এসে জানতে চাইলাম এখানকার সচিব মহোদয় অথবা ইউনিয়ন উদ্যোক্তা কোথায় গেছেন।উনারা বললেন কাল চাল দিছে তো তাই আজকে আসে নাই।

অথচ এই সুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন আমার এক পরিচিত লোক। যিনি অসুস্থতা সত্ত্বেও আমি তাকে ডিউটি করতে দেখেছি। আর উদ্যোক্তার কথা বলাই তারা বললো চন্দ্রদিঘলিয়া থেকে করা হয়। কেন এখানে কি কোন উদ্যোক্তা নেই?এটা দেখার বা শোনার কেউ ই কি নেই?

ফেসবুক থেকে সংগৃহিত

Code 7: 324567
Code ৮ পেতে এখানে ক্লিক করুন